প্রাকৃতিক শোভায় অপরূপ কুলু ভ্যালি
- dbwebdesk
- Mar 13, 2020
- 1 min read
সিমলা থেকে গাড়িতে চলে আসতে পারেন কুলুতে। উত্তর হিমাচল প্রদেশের সবুজে ঘেরা কুলু উপত্যকা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে স্বর্গরাজ্য। কুলু এক এক ঋতুতে এক এক রূপে ধরা দেয় পর্যটকের কাছে। গ্রীষ্মে রডোড্রেনড্রনের রক্তিম আভা আবার শরতে ধান-গম-যবের সোনালি রঙে ছেয়ে যায় সমগ্র কুলু ভ্যালি। বসন্তে আবার কুলুর রূপ সম্পূর্ণ আলাদা। বসন্তে আপেল, খুবানি, ন্যাসপাতি, চেরির ডালি সাজিয়ে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি থাকে কুলু উপত্যকা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তো বটেই, পৌরাণিক মাহাত্ম্য রয়েছে এই ছোট্ট পাহাড়ি শহরটার। কুলুকে বলা হয় 'ভ্যালি অফ গডস'।

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে বেদব্যাস, গৌতম, ভৃগু, মনু, বশিষ্ঠ-নানা মুনি ঋষিদের বাসস্থান ছিল এই কুলু। দেবতারাও নাকি মাঝে মাঝে আসতেন এখানে। সেই থেকেই জায়গাটার এই নামকরণ। কুলুর অন্যতম আকর্ষন আপেল বাগান। প্রায় সব উপত্যকা জুড়েই রয়েছে এই আপেল বাগান।দেশের বেশিরভাগ আপেল আসে এখান থেকে।এদিকে সবুজ গালিচাতে মোড়া পাহাড়ি গ্রাম, অন্যদিকে তুষারাবৃত পাহাড়ের সারি-ননয়নাভিরাম কুলুর সৌন্দর্য। কুলুর থেকে সাইড সিনে দেখে আসতে পারেন রঘুনাথজী মন্দির। যেতে পারেন বিজলেশ্বর মহাদেবের মন্দির। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি দশেরার সময়ে কুলু যেতে পারেন। দশেরার সময় উৎসবে মেতে ওঠে কুলু। নাচ-গান-বাজনা আলোর অপরূপ সাজে সেজে ওঠে কুলু ভ্যালি। হিমাচলের বিভিন্ন জায়গা থেকে দেবতার মূর্তি ডুলি বা পালকি করে নিয়ে এসে উপ স্থিত হয় ঢালপুর ময়দানে। হাতে একটু সময় থাকলে কুলু থেকে গাড়ি করে ঘুরে আসতে পারেন রায়সানে। কুলু থেকে মানালি যাওয়ার পথেই পড়বে রায়সান। দুরত্ব ২৫ কিমি। বিপাশার তীরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। কুল কুল শব্দে বয়ে চলেছে বিপাশা। নুড়ি পাথরে ধাক্কা খেয়ে ছোট ছোট ঢেউ দেখতে মজা লাগে।

কিভাবে যাবেন কুলু
সিমলা থেকে কুলুর দুরত্ব ২২০ কিমি। সিমলা থেকে গাড়িতে সরাসরি কুলু যেতে পারেন বা সিমলা বাস স্ট্যান্ড থেকে কুলু যাওয়ার জন্য ডিলাক্স বাস ছাড়ে। চণ্ডীগড় থেকে গাড়িতে বা বাসে কুলু যাওয়া যায়। বিমানে দিল্লি হয়ে কুলু যেতে পারেন।





Comments