top of page

মূল্যায়নে অসন্তুষ্ট পড়ুয়ারা পরীক্ষার দাবি করছে



নতুন নিয়মে অসন্তুষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার দিন ঘোষণার দাবি উঠল। সিবিএসই বোর্ড এরমধ্যে জানিয়েছে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁরা ফল প্রকাশ করবে। অনেক পড়ুয়া এই নিয়মে অসন্তুষ্ট হয়ে আছে। তাদের জন্য পরীক্ষার দিন নির্ধারিত হয় ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষকদের একটি সংগঠন দাবি করেছে, সিবিএসই-র ধাঁচে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ অসন্তুষ্ট পড়ুয়াদের জন্য পরীক্ষার দিন ঘোষণা করুক।


‘অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেস’-এর সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “সিবিএসই আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা সূচি ঘোষণা করতে চলেছে। আমাদের রাজ্যের আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভুগছে। কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। এমতাবস্থায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে অবিলম্বে পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করতে হবে।” এ প্রসঙ্গে পর্ষদ এবং সংসদ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।


মাধ্যমিকের মূল্যায়নে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর পাঠানো চলছে। তবে কীভাবে পাঠানো হবে, তা নিয়ে স্কুলগুলির মধ্যে সংশয় চলছে। এর কারণ, এবার যাদের মাধ্যমিকে বসার কথা তাদের নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি। তিনটি সামেটিভ পরীক্ষা হয়েছিল মোট ২০০ নম্বরের। তিনটে পরীক্ষার নম্বর যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করে গড় নম্বর পাঠানো চলছে। নবম শ্রেণীর এই গড় নম্বর অবিকৃত অবস্থায় পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ। নম্বরে কোনরকম পরিবর্তন করা যাবে না। অনেকে তিনটি, চারটি বা তার বেশি বিষয়ে ‘ডি’ পেয়ে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছিল। তবে পর্ষদের নির্দেশ, সেই অবস্থাতেই পাঠাতে হবে নম্বর।


প্রধানশিক্ষকরা জানিয়েছেন, নবমে কেউ ফেল করলেও সমস্যা নেই। বিদ্যালয়ের মূল্যায়নের ১০ নম্বরের মধ্যে কেউ যদি ৫ পায়, তাহলেও সে মাধ্যমিকের মূল্যায়নে পাশ করবে।

উল্লেখ্য বিষয়, পর্ষদের পোর্টাল মাঝেমধ্যে কাজ করছে না। দ্রুত পোর্টাল ঠিক করে মার্কস আপলোডিং-এর সময়সীমা ৩০ সে জুন পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি করেছে স্কুলগুলি।

 
 
 

Comments


bottom of page