রাজ্যে ২০১৭ সালের TET পরীক্ষায় বসতে না পারা প্রার্থীদের জন্য নতুন করে পরীক্ষার ব্যবস্থা
- dbwebdesk
- Jul 6, 2021
- 1 min read

সোমবার শিক্ষক নিয়োগ মামলার শুনানিতে TET পরীক্ষা নেওয়ার দিনক্ষণও বেঁধে দিল দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। ২০২২ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।
সোমবার মামলার শুনানিতে নতুন করে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট নেওয়ার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি আব্দুর নাজির ও বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারির ডিভিশন বেঞ্চ সিদ্ধান্ত দেন। তাঁরা জানান, রাজ্যে D.Led উত্তীর্ণরা, যাঁরা ২০১৭ সালের TET পরীক্ষায় বসতে পারেননি, তাঁদের জন্যই নতুন করে TET পরীক্ষা নিতে হবে।
২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুয়ায়ী, এ বছর ৩১ জানুয়ারি রাজ্যে প্রাথমিকের TET পরীক্ষা দিয়েছিলেন আড়াই লক্ষ চাকরিপ্রার্থী। তার আগে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন ২০১৮-২০ D.EL.ED ব্যাচের বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী।
কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ সেই ব্যাচের মামলাকারী পরীক্ষার্থীদের পক্ষে রায় দেন। তারপর বোর্ড ডিভিশন বেঞ্চে যায় মামলাটি।সেখানে হেরে যায় মামলাকারীরা। এরপর সুপ্রিম কোর্টে যান বেশকিছু পরীক্ষার্থী। এরপর সেই মামলাতেই ধাক্কা খেল রাজ্য।
এই মামলায় মামলাকারীদের বক্তব্য, TET ২০১৭ নেওয়ার নোটিফিকেশন দেওয়া হয় ২০১৭ সালে। ফর্ম ফিলাপের প্রক্রিয়াও যথাযথ ভাবে হয়। কিন্তু অবশেষে পরীক্ষাটা নেওয়া হয় ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে। এর মাঝে কোনও পরীক্ষা হয়নি।
এদিকে এনসিটিই গাইডলাইন মেনে ন্যূনতম বছরে একবার এই পরীক্ষা নিতে হবে। তবে যাঁরা D.Led পাশ করেছেন, তাঁদের বয়সের বিষয়টা মাথায় রাখা হোক। অর্থাৎ এই ৪ বছরে যাঁদের প্রশিক্ষণ হয়েছিল, তাঁদেরও পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হোক। কারণ পরীক্ষা না নেওয়াটা বোর্ডেরই ব্যর্থতা। মামলাকারীদের এই যুক্তি যথাযথ উপযুক্ত। তাই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।





Comments